নিজস্ব প্রতিবেদক :
১ম ও ২য় শ্রেণীর নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা বাতিল হওয়া সত্ত্বেও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অধিদপ্তরে কোটায় নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে অধিকার বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।
সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তারা এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে তারা শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ আইন লঙ্ঘন করেছে দাবি করে ৩ দফা পেশ করে।অধিকার বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা দাবি করে বৈষম্য বিধায় ১ম ও ২য় শ্রেণীর সকল নিয়োগে কোটা বাতিল হওয়া সত্ত্বেও সরকারি নিয়োগ বিধি এবং সংবিধানে বর্ণিত নিয়োগের নীতিমালা লঙ্ঘন করে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ বিধি ২০১৯ এ বিশেষ বিধান নামে একটি বিধান যুক্ত করে সমাজের অনগ্রসর শ্রেণী নয় এমন গোষ্ঠীকে সিংহভাগ কোটা প্রদান করে নিয়োগের নিমিত্তে একটি তালিকা প্রদান করে। যেখানে ৬০ শতাংশ নারী কোটা, ২০ শতাংশ পৌষ্য বা শিক্ষকের পারিবারিক কোটা, ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা রয়েছে।
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা অধিদপ্তরের এমন সিদ্ধান্তে ৩৭৫৭৪টি পদের নিয়োগে খুব অল্পসংখ্যক পুরুষ নিয়োগ পেয়েছে। বৈষম্যমূলক কোটায় নিয়োগ বাস্তবায়ন করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ভিন্ন ভিন্ন কাট মার্কসে কোটায় পরীক্ষার্থীদের পাস দেখিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। নাম্বারপত্র লুকিয়ে তারা কাউকে ৪০ মার্কসে নিয়োগ দিয়েছে আবার কেউ ৫৫ মার্কসে নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, বাংলাদেশের সরকারি নিয়োগের সবচেয়ে বড় সেক্টর সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এমন বৈষম্যের কারনে বেকার যুবকদের সাথে বড় ধরনের প্রতারণা সংগঠিত হয়েছে। এ সময় তারা ৩ দফা দাবি জানায়।
দাবিগুলো যথাক্রমে এক. বৈষম্যমূলক এই ফল বাতিল করে এক ও অভিন্ন কাট মার্কসে পুনরায় ফল ঘোষণা করা। দুই. কোটা বাতিলের সরকারি পরিপত্র মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। তিন. শিক্ষক নিয়োগে বিদ্যমান নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে দ্রুত সম্পন্ন করে নতুন কোটামুক্ত পরবর্তী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা।
Leave a Reply